
এমাজন জঙ্গলের মানুষ ওরগানিক খাবার খায়
মাছও নদীর পলিথিন খাচ্ছে, মুরগীও খাবারের ও টীকার সাথে এন্টি এন্টিবায়োটিক নিয়ে বাজারের সকল কক, সোনালী, লেয়ার, ব্রয়লার ও দেশি মুরগীর মাংস নিরাপদ নয়। এমাজন জঙ্গলের মানুষ ওরগানিক খাবার খায়, তাই সেখানে হসপিটাল নেই। আমার স্বপ্র ইনশাল্লাহম ওয়ালী ইকো রিসোর্ট বাস্তবায়ন হলে সকল খাদ্য, শস্য, ঔষধী গাছ, ও শাক-সবজি-ফল-মূল অরগানিক জৈব সারের মাধ্যমে তৈরী করে নিজেরা খাইবো এবং আত্মীয়-স্বজনের ঘরে ঘরে পৌছে দেয়ার ব্যবস্থা করবো। এজন্য সকলের সহযোগীতা একান্ত কাম্য। শেষ বয়সে আমার মত সচেতন হলেও পরবর্তী বংশধরগন স্বাস্থ্যকর খাবারে অভ্যস্থ্য হবে হয়তো! = Walid Eco Resort
শতাংশ প্রতি মাত্র ৫০,০০০ টাকা বুকিংমানি হিসেবে গন্য হবে, শতাংশ প্রতি মাত্র ৫০০০ টাকার ৬০টি কিস্তিতে ৮ শতাংশের প্লট নিলে কটেজ ফ্রি পাচ্ছেন। অতএব কিস্তিতে শতাংশ প্রতি মূল্য ৩.৫০,০০০ টাকা মাত্র নগদে ক্রয়ে ২০% ছাড়ে ২,৮০,০০০ টাকা। ৮ জন শেয়ার একটি প্লট ক্রয় করতে পারবেন অথবা এক শতাংশ নিলেও আমরা ৮ জনের গ্রুপ তৈরী করে দিব। ৫০% মূল্য পরিশোধের পূর্ব পর্যন্ত জমাকৃত টাকা করজ বা জমা হিসেবে গন্য হবে। ৫০% মুল্য পরিশোধের সাথে সাথে জমির সাফ কবলা দলিল পাচ্ছেন । অতঃপর প্রতি ৮ শতাংশে নীচের বিবরনীর কটেজ-বাগান তৈরী করে হস্তান্তর করা হয়। যারা ৫০,০০০ টাকা বুকিং দিতে পারবেন না, তারা মাসিক ১০,০০০ টাকার ৫০টি কিস্তিতে এক শতাংশ জমির মোট মূল্য ৫ লাখ টাকা পরিশোধ করতে পারবেন।
প্রধান ৬টি সুবিধা:
১) ৫ বছরে জমির মূল্য বাড়তে পারে ১০গুন কারন হেমায়েতপুরে মেট্রোরেলের কাজ চলমান।
২) মেয়াদান্তে কটেজে নিজ পরিবার নিয়ে পালাক্রমে বেড়ানোর সুবিধা।
৩) মেয়াদান্তে কটেজ পালাক্রমে ভাড়া হতে আয়ের সুবিধা।
৪) মেয়াদান্তে কটেজের আসে পাশে টাকটা সবজি-ফল ভোগ ও বিক্রিতে আয়ের সুবিধা পাচ্ছেন।
৫) কিস্তি চলাকালীন জমির মূল্য বৃদ্ধি পেলেই যে কোন মাসে, কোম্পানিকে ১০% হস্তান্তর ফি জমা দিয়ে নিজ জমি বিক্রির স্বাধীনতা থাকবে।
কটেজে কি কি থাকবে:
ক) প্রতি ৮ শতাংশের রাস্তা ব্যতিত নীট থাকবে ৬ শতাংশ । উক্ত ৬ শতাংশের এক শতাংশে বা ৪৩৫.৬ বর্গফুটের কটেজটি কোম্পানী তৈরী করে দিবেন ফ্রি।
খ) ৮ শতাংশের প্রতিটি কটেজ ১ জন বা ৮ জন নিতে পারবেন। প্রতি ৮ শতাংশের রাস্তা ব্যতিত নীট ৬ শতাংশ। উক্ত ৬ শতাংশের এক শতাংশে বা ৪৩৫.৬ বর্গফুটের কটেজের বিবরনঃ=
=> ঘর ২টি তৈরী হবে, কাঠ ও বাঁশের তৈরী ২টি ঘর, ছাদ হবে, কাঠ, ফলস সিলিং ও প্লাস্টিক টিন দিয়ে তৈরী, বাঁশ বা গাছের বাউন্ডারী থাকবে, রুম-টয়লেট-কিচেনে সিরামিক টাইলস, ফুলের বাগানসহ কটেজে থাকবে ২ বেড রুম, টয়লেট, কিচেন, বেলকনি, ছোট সিড়ি। বিদ্যুত ও পানির লাইন ও ফিটিংসহ বসবাস উপযোগী ব্যবস্থা থাকবে। জরুরী কাঠের ফার্নিচার সমূহ থাকবে। ৮ জনের ব্যবহার যোগ্য: বিছানা, চাদর, বালিশ, মশারী, অতি জরুরী টয়লেট টুলস ও রান্নার আসবাবপত্র ও টুলস সামগ্রী থাকবে।
=> কটেজটিতে পরিবারসহ পালাক্রমে ৪ জন থাকতে পারবেন বা যেীথভাবে ভাড়া দিয়ে আয় নিজেরা বন্টন করতে পারবেন।
গ) থাকা ও ভাড়ার আয় ব্যতিত জমির মূল্য বৃদ্ধি পাবে ৫ বছরে ১০ গুনের বেশি কারন নিকটেরই হেমায়েত পুরে হচ্ছে মেট্রো রেল। যাতে পুরো ঢাকা সিটিতে ২০ মিনিটে যাতায়াত করতে পারবেন।
ঘ) কটেজটির ৮ জনের প্রতি শতাংশের ৭৫% জমির কিছু অংশে ১টি কটেজ ও বাগানের জন্য বরাদ্দ থাকবে বাকি ২৫% জমি রাস্তা ও সংযোগ রাস্তার জন্য কোম্পানীর কাছে থাকবে। অর্থ্যাৎ প্রতি ১ শতাংশের ৭৫ অযুতাংশ জমি সাফ কবলা দলিল করা হয়। এবং প্রতি ৮ শতাংশে একটি কটেজ তৈরী হবে, যা ১২ মাসের আয় ৮ জন ক্রেতাগন সমহারে বন্টন করে নিবেন, থাকবেন, ও পরিচালনা করবেন।
ঙ) লোকেশন: https://walibazar.com/go/south-ulail-dholla/
ঢাকা গাবতলী হতে ২০ কি:মি: দূরত্বে হেমায়েতপুর হয়ে সিঙ্গাইর ধল্লা ইউনিয়নের সন্নিকটে দক্ষিন উলাইল এলাকায় ১০ হতে ১২ ফুট রাস্তাসহ সকল কটেজ দিয়ে কারে চলাচল সুবিধা থাকবে।
চ) রিসোর্টর আসে পাশে নাগরিক সুবিধা সমূহ বর্তমানে সেখানে বিদ্যবান ও নির্মানাধীন রয়েছে। এছাড়াও সম্পুর্ণ রিসোর্ট পরিচালনার জন্য কোম্পানীর মালিকািধীন সাইট অফিস ও কিছু শপ থাকবে।
উল্লেখ্য যে, কিস্তি পরিশোধের পর ইউটিলিটি ও উন্নয়ন বিল কটেজ বুঝে পাওয়ার পূর্বে এককালীন শতাংশপ্রতি ১ লাখ টাকা করে অতিরিক্ত পরিশোধ করতে হবে। যাতে সকল কটেজের জন্য বিদ্যুৎ লাইন ও মিটার সংযোগ, বিশুদ্ পানির পাম্প বসিয়ে পাইপের মাধ্যমে প্রতি কটেজে পানি পরিবহন ও পয়ঃনিষ্কাষনের ব্যবস্থা করা হবে, রাস্তাগুলো সলিং বা টালি দিয়ে বেস্টিত করা হবে, রাস্তার দুই পাশে গাছ রোপন করা হবে, সকল কটেজে ইন্টারকম টেলি-যোগাযোগ, ইন্টানেট লাইন ও গ্যাস সিলিন্ডার ও চুলার ব্যবস্থা করা হবে। তবে সাইট কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন ভাতা, মোড়ে মোড়ে সিসি ক্যামেরা, একাধিক সিঃগার্ড এবং রাস্তা ও রিসোর্ট উন্নয়ন ও লাইটিং খরচ বাবদ শতাংশ প্রতি ১০০ টাকা মাসিক ফি প্রদান করতে বাধ্য থাকবেন, এ খরচ কটেজের আয় হতে নিয়মিত কেটে রাখা হবে। তবে কোম্পানী এককভাবে সকল উন্নয়ন মূলক কাজ পরিচালনা, কাজের ফল এবং অতিরিক্ত সম্পদ, বাগান, খামার, দোকান, ফার্ম, পুকুর ও ফসলের মালিকানা এককভাবে = ওয়ালী মুহাম্মাদ ফাউন্ডেশন লিঃ থাকবে।
ছ) জীবনটা ক্ষনস্থায়ী, তাই দুষনমুক্ত নিরিবিলি পরিবেশে থাকুন, ফ্রেশ খাবার খান, সুস্থ থাকুন, নিরাপদ থাকুন।
নির্মানকারী প্রতিষ্ঠানঃ ওয়ালী মুহাম্মাদ ফাউন্ডেশন লিমিটেড। মোঃপুর, ঢাকা।

মতামত জানান